30 C
Dhaka
শনিবার, জুলাই ৩১, ২০২১

বিদ্যানন্দ কী হিন্দুস্থানের পৃষ্ঠপোষকতা নেয়?

যা পড়তে পারেন

:: মুজতবা খন্দকার ::

এক টাকার অাহার এই শ্লোগান চাউর করে যারা সমাজের সব শ্রেনীর মনোযোগ অাকর্ষণ করেছিলো,সেই বিদ্যানন্দর কর্তাব্যক্তিদের ঘটে ঢের বুদ্ধি অাছে ভেবেছিলাম। কিন্তু যতই বিদ্যাবুদ্ধি থাকুক,কদিন অার থাকা যায় মুখোশ পরে! একদিন তো খুলতে হবে নইলে খুলে যাবে! অাজ যেমন গেলো! নানা! হিন্দুস্থানের হাই কমিশনার বিদ্যানন্দে গেলো বলে বলছিনা। বলছি.. সংগঠনটাকে বিতর্কিত না করলেই কি হতোনা। কেন দোরাইস্বামী সেখানে যাবেন। কি দরকার। বিদ্যানন্দ তাহলে কি হিন্দুস্থানের পৃষ্ঠপোষকতা নেয়! রামকৃষ্ণ মন্দির, ইসকনের মত হিন্দুস্থানের অনুদানে চলা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসে কিম্বা কার্যালয়ে হিন্দুস্থানের হাইকমিশনার গেলে কেউ কিছু মনে করে না,সবাই বিষয়টি সহজভাবে নেয়। কিন্ত বিদ্যানন্দ তো চলে সমাজের বিত্ত্ববানদের অনুদানে অন্তত: তাদের দাবি তাই। তাহলে সেখানে হঠাৎ করে দোরাই স্বামীর যাবার কি এমন প্রয়োজন পড়লো…!দোরাই স্বামী সেখানে গেছে বলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে পড়েছে সেরকমটা অামি বলছিনা। কিন্ত গত এক দশকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের বাংলাদেশ নীতি এদেশের মানুষকে হিন্দুস্থান সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। এদেশের মানুষ ভালোভাবে বুঝে নিয়েছে যতই প্রতিবেশী হোকনা কেন,হিন্দুস্থান কখনো বাংলাদেশের মানুষের ভালোটার পরোয়া করেনা। তারা শুধু দেখে তাদের স্বার্থ। অার সে কারনে দোরাই স্বামীর সেখানে যাওয়াতেই মানুষের যত সন্ধেহ অবিশ্বাস। এমন একটি চ্যারিটি সংগঠনের পেছনে কি তাহলে রাজনীতি ছিলো। না কি সংগঠনটির জনপ্রিয়তা হিন্দুস্থান কাজে লাগাতে চাইছে..! ভাবনার অনেক কিছু অাছে বইকি। হিন্দুস্থান ইসকনকে অাশকারা দিয়ে কোথায় তুলেছে,সে তো অামরা দেখতেই পাচ্ছি। তারা অামাদের সংবিধান নিয়েও কথা বলছে। তাই বলি, এদেশে সত্যিকারের চ্যারিটি করার মানসিকতার লোক যেমন খুব কম অাছে,তেমনি সংগঠনও নেই বললেই চলে, বিদ্যানন্দ একটা অরাজনৈতিক চ্যারিটি সংগঠনের ইমেজ পেয়েছিলো। তাকে রাজনীতিকরন করে ফেলা হলে সেটা হবে অত্যন্ত দু:খজনক! হবে কি না অামি এখনো হলফ করে বলতে পারছিনা। তবে সিঁদুরে মেঘ দেখলে অামাদের তো ভয় হয়। কারন অামাদের গোয়াল যে অাগেই অাগুনে পুড়ে ফেলা হয়েছিলো। তবে এদেশের মানুষ বেশ সচেতন,তারা মতলবি বিষয়গুলো বেশ ভালো করেই বোঝে। সুতরং বিদ্যানন্দ কতৃপক্ষ দোরাই স্বামী তাদের প্রতিষ্ঠানে অাসবে একথা অাগে জানতেোনা বলে যে প্রচারণা চালাচ্ছে,সেটা সম্পূর্ন অসত্য কথা! হিন্দুস্থানেরর হাই কমিশনার তাদের কার্যালয়ে যাবে অথচ তারা জানবেনা,সেটা দশ বছর অাগে হলে বিশ্বাস করতাম। বর্তমানে সেটা খুবই অসম্ভব। বিদ্যানন্দ কর্তৃপক্ষ মিথ্যা কথা বলে,মুলত: তারা মানুষকে তাদের সস্পর্কে সন্দ্বিহান করে তুলেছে… সুতারং সংগঠনটি কিভাবে চলে,কারা চালায়,অায়ের প্রকৃত উৎস কি.. পরিচালনা বোর্ডে কারা অাছে। তাদের কার্যক্রম কি কি সেগুলো খতিয়ে দেখা জরুরী হয়ে পড়েছে… সরকারের যদি হেফাজতকে এত এলার্জি থাকে সংগঠনটির খোলনচে বদলে ফেলতে পারে.. তবে বিদ্যানন্দর মতো সংগঠনগুলো কিভাবে চলে সেগুলোও মনিটরিংয়ের অাওতায় অানা উচিৎ… এই লেখা যখন শেষ করছি,তখন একটি বহুল প্রচলিত ভাবধারা মনে পড়ে গেলো..এই লেখার সাথে কোথায় যেন সাযুজ্য খুঁজে পেলাম।বাবা দেখেনি ছাগল/ মেয়ে মুরগি দেখেই পাগল!

- Advertisement -

আরও লেখা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

twenty − nineteen =

- Advertisement -

সাম্প্রতিক লেখা